ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করার নিয়ম - Rules for filling up unique ID forms

 

ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করার নিয়ম - Rules for filling up unique ID forms
ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করার নিয়ম - Rules for filling up unique ID forms

ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করার নিয়ম

ইউনিক আইডি কি?

ইউনিক আইডি হল একটি ডিজিটালভাবে তৈরি করা আইডি কার্ড, যেখানে শিক্ষার্থীদের সমস্ত তথ্য ডাটাবেস আকারে সংরক্ষণ করা হবে। মূলত, প্রতিটি শিক্ষার্থীর সকল প্রাথমিক ও শিক্ষাগত তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য একটি অনন্য আইডি তৈরি করা হচ্ছে। এই কার্ডে একটি বিশেষ রোল নম্বর থাকবে যা শিক্ষার্থীকে তার শিক্ষাজীবন জুড়ে বহন করতে হবে।


এর মানে হল যে শিক্ষার্থীরা এখন প্রতিটি ক্লাসে একটি নতুন রোল নম্বর পাবে, একটি অনন্য আইডি পাওয়ার পরে এটি আর থাকবে না। তারপর তাকে 10, 12 বা 16 সংখ্যার একটি রোল নম্বর দেওয়া হবে, যা সে প্রতিটি ক্লাসের সমস্ত পরীক্ষায় ব্যবহার করবে।


ইউনিক আইডিও বাংলাদেশের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডির মতোই তাদের জাতীয়তার প্রমাণ হিসেবে। বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের এই পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। এটি দেখতে অনেকটা জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডের মতো।

কেন একটি ইউনিক  আইডি গুরুত্বপূর্ণ?

এই আইডির মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর সকল প্রকার সেবা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বই গ্রহণ, ফলাফল প্রকাশ, নিবন্ধন, বৃত্তি, উপবৃত্তি এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধা। এবং যখন শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর হবে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় তাদের আঙুলের ছাপ দিয়ে এই অনন্য আইডিইকে জাতীয় পরিচয়পত্রে রূপান্তর করবে।


শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীরা কোন স্কুলে পড়ছেন, তিনি কি পড়ালেখা ছেড়ে দিয়েছেন নাকি? আপনি চাকরি পেয়েছেন কি পাননি এমন সব তথ্য এই আইডিতে সংরক্ষণ করা হবে।

প্রতি বছর প্রথম থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়। কিন্তু মোট সক্রিয় শিক্ষার্থীর সংখ্যার সঠিক তথ্য না থাকায় চাহিদার চেয়ে অনেক গুণ বেশি বই ছাপা হয়। ফলে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু যখন একটি ইউনিক আইডি তৈরি করা হবে তখন সেখানে কোনো নকল শিক্ষার্থী থাকবে না। কারণ তখন শিক্ষার্থীর সঠিক সংখ্যা সরকারের হাতে থাকবে। '

ইউনিক আইডি পেতে যা লাগবে

সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড অবশ্যই সাদা হতে হবে। এছাড়াও ছবিতে শিক্ষার্থীর দুই কান ও দুই চোখ স্পষ্ট দেখা যেতে হবে। ছবির পিছনে শিক্ষার্থীর পূর্ণ নাম লিখতে হবে।

শিক্ষার্থীর জন্মসনদের অনলাইন কপি (কিভাবে পাবে, নিচে বর্ণনা করা হয়েছে)।

শিক্ষার্থীর পূর্বের (৫ম বা ৮ম) শ্রেণীর পরীক্ষার অনলাইন মার্কশীট (যদি থাকে)।

শিক্ষার্থীর পিতামাতার জাতীয় পরিচয়পত্রর ফটোকপি।

পিতা-মাতা মৃত হলে বর্তমান অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী প্রতিবন্ধী কার্ডের ফটোকপি।

রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত সনদের ফটোকপি।

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম হলে তার সনদের ফটোকপি।

ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করার নিয়ম

ইউনিক আইডির ফরম পূরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তাই শিক্ষার্থীরা আইডি সংগ্রহের জন্য অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করে ফরমটি পূরণ কবে। ইউনিক আইডি করবো কিভাবে তা নিচে ধারাবাহিকতার সাথে উল্লেখ করা হল।


১. মৌলিক তথ্য প্রদান

তোমার জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি অনুরণ করে মৌলিক তথ্য যেমন- নাম, জন্ম নিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান ধর্ম ও অন্যান্য তথ্যসমূহ লিখতে হবে। যদি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন না থাকে তাহলে অবশ্যই নির্দিষ্ট কার্যালয় থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন করে নিতে হবে। জন্ম নিবন্ধনে তোমার দেয়া তথ্য অবশ্যই সরকারি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন পোর্টালে থাকতে হবে।


২. পিতা-মাতার তথ্য প্রদান

ইউনিক আইডির ফরমে তোমার পিতা-মাতার পরিচয়ও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মা-বাবার নাম বাংলায় এবং ইংরেজিতে, NID নম্বর, জন্ম নিবন্ধনের নম্বর, মোবাইল নম্বর ও পেশা সঠিকভাবে লিখতে হবে। তবে এ তথ্যগুলো তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে দেওয়া তথ্যের আলোকে লিখতে হবে।



 

৩. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা

যথাযথ সতর্কতা অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকনা ফরমে লিখতে হবে। এক্ষেত্রে বিভাগ, জেলা, উপজেলা/থানা, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা ইত্যাদি সব তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রে পিতা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রে দেয়া ঠিকানার আলোকে লিখতে হবে। তবে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একই হলে “স্থায়ী ঠিকানা” অংশটি পূরণ করতে হবে না।


৪. শিক্ষার্থীর অধ্যয়ন সম্পর্কিত তথ্য

এই অংশে শিক্ষার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, বিভাগ, জেলা ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে। বর্তমানে কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত, উক্ত শ্রেণির রোল ও শাখা লিখতে হবে। শিক্ষার্থী বাংলা ভার্সন নাকি ইংরেজি ভার্সনে অধ্যয়নরত তা উল্লেখ করতে হবে। এছাড়াও শিক্ষার্থী যদি মেধাবৃত্তি বা উপবৃত্তিপ্রাপ্ত হয়ে থাকে, তা লিখতে হবে।


যেহেতু এখন শুধুমাত্র মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়া শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি প্রদান করা হবে, সুতরাং তোমার ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সকল পরীক্ষার তথ্য দিতে হবে। এ অংশে কোন শ্রেণিতে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়েছো, সেখানে রোল কত ছিল, পাশের বছর এবং জিপিএ উল্লেখ করতে হবে।


জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড

ইউনিক আইডি পেতে আবেদনের জন্য তোমাকে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীই সমস্যার সমস্যার সম্মুখীন হয়। কারণ যাদের জন্ম নিবন্ধন হাতে লেখা, তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। তাহলে তুমি তোমার জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি কোথায় পাবে?

দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। তোমার জন্ম নিবন্ধনে লেখা নম্বরটি দিয়ে তুমি খুব সহজেই অনলাইন কপি বের করতে পারবে। এটির জন্য প্রথমে সরকারের Birth and Death Verification ওয়েবসাইটে যাও। এর নিচে দেয়া ছবির মত দেখতে পাবে। Birth Registration Number এর ঘরে তোমার জন্ম নিবন্ধনে দেয়া ১৭ ডিজিটের নম্বরটি নির্ভুলভাবে লিখ।


ইউনিক আইডি ফর্ম 


বিস্তারিত  -  courstika.com   


ইউনিক আইডি ফরম পূরণ,ইউনিক আইডি,শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি,ইউনিক আইডি কি,শিক্ষার্থী ইউনিক আইডি তথ্য ফরম পূরণ,ইউনিক আইডি অনলাইন,৭ম শ্রেণির ইউনিক আইডি,ইউনিক আইডি ৬ষ্ঠ শ্রেণি,শিক্ষার্থীদের ( 6-12) ইউনিক আইডি (uid) ফরম পূরণ,মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তুরের শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি,ইউনিক আইডি ২০২১,ইউনিক আইডি ৯ম শ্রেণি,ইউনিক আইডি ৮ম শ্রেণি,ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করার নিয়ম,ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করুন,ইউনিক আইডি ফরম পূরণ করার নিয়ম,শিক্ষার্থীদৈর ইউনিক আইডি ‍student unique id, unique id for students,unique id,unique id form fill up,unique id from for students,google forms,unique id form fill up for class 9,new instructions for unique id form fill up,how to fill up uid form,ec unique id,student unique id,national unique id card,student unique id form fill up,how to fill up the form unique id,email notification for google forms,unique id 2021,unique id form bd,uid form fill up,unique id for online admission

No Comment

You cannot comment with a link / URL. If you need backlinks then you can Contact with us

Add Comment
comment url