-->

Ethical Hacking Free Course: (Part-2) - MR Laboratory


    Ethical Hacking Free Course: (Part-2)  - MR Laboratory
    যারা অন্য পর্ব গুলো পড়তে চান
    Ethical Hacking Free Course: (Part-1)
    Ethical Hacking Free Course: (Part-2)
    Ethical Hacking Free Course: (Part-3)
    Ethical Hacking Free Course: (Part-4)
    Ethical Hacking Free Course: (Part-4)
    Ethical Hacking Free Course: (Part-6)


    নেটওয়ার্কিং নিয়ে সবকিছু! (বেসিক-১)কল্পনা করুণ, আপনি যদি এই দুনিয়াতে একমাত্র ব্যাক্তি হতেন তাহলে কি আপনাকে কোন কিছু নিয়ে টেনশন করতে হতো? আপনার কোন কিছু হারানোর ভয় থাকতো না, কোন কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকতো না, কোন লোভ, লালসা, আর অস্থিরতাও থাকতো না। সর্বদা হয়তো সৃষ্টিকর্তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকতেন, এতো কিছু আপনাকে উপহার দেওয়ার জন্য! ঠিক কম্পিউটিং ওয়ার্ল্ডে যদি “নেটওয়ার্কিং” টার্মটি না থাকতো, আজকের অনেক মডার্ন কম্পিউটিং টেক কল্পনাও করা যেতো না, যেমন- ইন্টারনেট! একসাথে অনেক কম্পিউটার যুক্ত হওয়ার জন্যই যতোসব সমস্যার শুরু, এর ফলেই খারাপ লোকেরা আপনার সিকিউরিটি ব্রেক করার চেষ্টা করবে, আর সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়বে। নেটওয়ার্কিং টার্মটি না থাকলে, আজকের এই হ্যাকিং টার্মটিও হয়তো শুনতে পারতেন না। যেমনটা উপরের উদাহরণ থেকে বুঝতে পারেন, এক সাথে পৃথিবীতে বহু মানুষ রয়েছে বলেই এতো প্রতিযোগিতা, এতো হিংসা বিদ্বেষ।

    এথিক্যাল হ্যাকিং ফ্রী কোর্স এর দ্বিতীয় পর্ব একটু দেরিতে পাবলিশ করার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আসলে যখন কোন কোর্স পাবলিশ করার চেষ্টা করা হয়, সেক্ষেত্রে এটা খুব একটা মুশকিলের কাজ নয়, আপনাকে কোন টপিক কিভাবে বুঝানো হবে—বরং মুশকিলের কাজ হচ্ছে কোন টপিকের পর কোন টপিক বোঝানো হবে। অর্থাৎ বলতে পারেন সূচি পত্র, আর কম্পিউটিং আর হ্যাকিং লাইনের সূচি বানানো একটু মুশকিলের, আপনি যদি এই কাজ আগে না করে থাকেন, তো যতো বড়ই এক্সপার্ট হোন না কেন, আপনার বিষয় গুলো গুছিয়ে নিতে একটু কষ্ট করতে হবে! তো আমার ক্ষেত্রেও হয়েছে তাই, আমি ঠিক করতেই পারছিলাম না, কোন টপিকের পর কোন টপিক শুরু করবো, কেনোনা প্র্যাক্টিক্যালি এই বিষয় এতোটা সুবিশাল যে সুগঠিত সূচি তৈরি করাটা একটু মুশকিলের। যাই হোক, একেবারে গোঁড়া থেকে শুরু করতে যাচ্ছি, আর তা হলো নেটওয়ার্কিং। তবে আমি সম্পূর্ণ কোর্সটিকে একটু আলাদাভাবে সাজাতে চেষ্টা করবো। যখন নেটওয়ার্কিং নিয়ে আলোচনা করছি, এর মানে এই নয় শুধু নেটওয়ার্কিং নিয়েই সিরিয়াল পর্ব প্রকাশ করেই যাবো! নেটওয়ার্ক নিয়ে আলোচনা করতে করতে হয়তো ওয়াইফাই এর দিয়ে চলে যাবো, তারপরে হয়তো ওয়াইফাই সিকিউরিটি টেস্টিং এর দিকে চলে যাবো, আবার নেটওয়ার্কিং এর আলাদা টার্মে চলে যাবো, তারপরে হয়তো ওয়েব সার্ভার রিলেটেড বিষয়ের দিকে চলে যাবো। সম্পূর্ণ কোর্সটিকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রন করবো যাতে আপনারা কখনোই আকর্ষণ হারিয়ে না ফেলেন! কেনো না আমি বিশ্বাস করি সবকিছুতেই বিদ্যা! তো, আশা করছি কোর্সের সামনের পর্ব গুলো সম্পর্কে আপনার মোটামুটি ধারণা হয়ে গিয়েছে! এবার আর একটিও অপ্রয়োজনীয় কথা ছাড়া, সরাসরি নেটওয়ার্কিং এর ভেতরে প্রবেশ করা যাক।

    (কম্পিউটার নেটওয়ার্ক)

    যখন একাধিক কম্পিউটার একসাথে একই প্রোটোকলে যুক্ত হয়ে কাজ করতে শুরু করে, সহজ ভাষায় একে সাধারণ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়। আপনি যখনই একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার যুক্ত করানোর চেষ্টা করবেন, বা কথা বলানোর চেষ্টা করবেন, অবশ্যই আপনাকে নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। আপনি ব্লুটুথ ব্যবহার করে এক ফোন থেকে আরেক ফোনে ফাইল বা গান ট্র্যান্সফার করার সময়ও নেটওয়ার্কিংই করে থাকেন। তো এটা একেবারেই বোঝা জলের মতো সহজ, একাধিক কম্পিউটার একই জালে যোগ করে দেওয়ার মাধ্যমেই নেটওয়ার্কিং এর জন্ম হয়। তবে এখানে কিছু গভীর লক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। চিন্তা করে দেখুন, আপনি যখন একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার যোগ করছেন, সেক্ষেত্রে এখানে আরো কি কি জিনিষ সামনে চলে আসছে! প্রথমত অবশ্যই কম্পিউটার নিজেই একটি টার্ম, তারপরে কিভাবে এদের নিজেদের মধ্যে কানেক্ট করানো হচ্ছে। যদি তারের মাধ্যমে কানেক্ট করানো হয়, সেক্ষেত্রে ওয়্যার নির্ভর নেটওয়ার্ক আর যদি বিনা তারে কানেক্ট করানো হয়, সেক্ষেত্রে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক। দুইটি কম্পিউটার হয়তো অনেক সহজেই ডাইরেক্ট কানেকশন তৈরি করে একে ওপরের সাথে কানেক্টেড করাতে পারবেন, কিন্তু যদি কম্পিউটারের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই আরেকটি তৃতীয়পক্ষ ডিভাইজের প্রয়োজন পড়বে, যেটা সকল কানেকশন গুলোকে মেইন্টেইন করবে। যেমন ধরুন সহজেই আপনি একটি বা দুইটি প্লাগ সরাসরি ওয়াল সকেটে কানেক্ট করতে পারবেন, কিন্তু যদি টিভি, ফ্রিজ, মোবাইল, ল্যাপটপ চার্জার, একসাথে কানেক্ট করা প্রয়োজনীয় হয়ে পরে তখন ম্যাল্টি-প্ল্যাগ প্রয়োজনীয় হয়। নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে রাউটার,হাব,এবং সুইচ এই কাজটিই করে থাকে। এবার ব্যাস কম্পিউটার গুলোকে এক কানেকশনে জুড়ে দিলেন, কিন্তু তারপরেও টেকনিক্যালি নেটওয়ার্ক তৈরি হবে না, যতোক্ষণ পর্যন্ত কম্পিউটার গুলো একই প্রোটোকলে কাজ করতে আরম্ভ না করবে, অবশ্যই প্রত্যেক কম্পিউটার’কে প্রত্যেকের ভাষা বুঝতে হবে। ধরুন আমি বাংলা বলি আর আপনি বলেন চাইনিজ, সেক্ষেত্রে কি কখনো আপনার আর আমার মধ্যে কমিউনিকেশন সম্ভব হবে? আরেকটি হার্ডওয়্যার অংশ নেটওয়ার্কিং সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে, সেটা হচ্ছে আপনার কম্পিউটারে থাকা নেটওয়ার্ক কার্ড। পূর্বে এটি আলাদা করে লাগানোর প্রয়োজন পড়ত, কিন্তু বর্তমানে সকল কম্পিউটারের সাথে এটি ডেডিকেটেড ভাবেই লাগানো থাকে।

    (আইপি অ্যাড্রেস)


    এখন ধরুন, আপনি একাধিক কম্পিউটারকে একত্রে একটি নেটওয়ার্কে জুড়ে দিয়েছেন, কিন্তু কোন নির্দিষ্ট কম্পিউটার কিভাবে কোন নির্দিষ্ট কম্পিউটারের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে? ধরুন আপনি একটি ম্যাল্টি-প্ল্যাগে ১০টি ইলেকট্রিক ডিভাইজ যুক্ত করে রেখেছেন, এখন যদি এতে কারেন্ট প্রদান করেন তো প্রত্যেকটি ডিভাইজ সমানভাবে কারেন্ট রিসিভ করবে। কিন্তু আপনি যদি নির্দিষ্ট ইলেকট্রিক ডিভাইজকে নির্দিষ্ট কারেন্ট প্রদান করতে চান, সেক্ষেত্রে অবশ্যই কানেক্টেড থাকা ডিভাইজ গুলোর একটি পরিচয় থাকা প্রয়োজনীয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও বিষয়টি অনেকটা একই রকম। আইপি অ্যাড্রেস হলো কোন কম্পিউটারের ভার্চুয়াল পরিচয়, যেটার সাহায্যে নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকা যেকোনো কম্পিউটারকে সহজেই খুঁজে বেড় করা সম্ভব। আইপি অ্যাড্রেস, সাধারণত দেখতে “১৫১.১০১.৬৫.১২১” —এই রকমের হয়ে থাকে। কিন্তু বিভিন্ন টাইপের আইপি অ্যাড্রেস থাকতে পারে। আর টাইপ অনুসারে এর নাম্বারিক পরিবর্তনও হতে পারে। তো আমরা উপরের রেফারেন্স অনুসারে কাজ করবো। প্রথমে আমরা কম্পিউটার গুলোকে একত্রে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করেছি এবং এখন আমাদের কাছে সকল কম্পিউটারের ইউনিক পরিচয় রয়েছে, অর্থাৎ যেকোনো স্পেশাল কম্পিউটারে স্পেশাল ডাটা বা কম্যান্ড সেন্ড করা সম্ভব হবে। এখন অবশ্যই নেটওয়ার্কিং এর দুইটি আলাদা ভাগ রয়েছে। যদি আপনি নিজের বাড়িতে বা অফিসে থাকা কম্পিউটার গুলোকে একসাথে তারের মাধ্যমে কানেক্ট করে বা ওয়্যারলেস ভাবে কানেক্ট করে নেটওয়ার্ক তৈরি করেন, তো সেটা লোকাল নেটওয়ার্ক বলা হবে। যদি আপনার লোকাল নেটওয়ার্ককে বাইরের হাজারো-লাখো লোকাল নেটওয়ার্কের সাথে জুড়ে দেন, তো সেটাকেই ইন্টারনেট বলা হয়। ইন্টারনেট নিয়ে বিস্তারিত। এখানে আর কিছুই বলবো না, অলরেডি গ্রুপে বেস্ট পোস্ট পাবলিশ করে রেখেছি, পড়ে নিতে পারেন। লোকাল নেটওয়ার্ক আর ইন্টারনেট অনেকটা একইভাবেই কাজ করে, কিন্তু জিনিষ আলাদা থাকে। যেমন ধরুন, আপনি যখন বাড়িতে থাকেন, সেখানে আপনি নিজেই বস, কেনোনা আপনার বাড়ি, ঠিক? আবার যখন বাইরে থাকেন, বা অফিসে থাকেন, সেখানে আরেক নিয়মে আপনাকে চলতে হয়, কেনোনা সেখানে বস অন্যকেউ।

    (আইপি টাইপ)


    উপরে যে আইপি অ্যাড্রেসের বর্ণনা করেছি, সেটা হচ্ছে আইপি ভার্সন ৪ —যেটা অলরেডি শেষ হয়ে গিয়েছে। যখন আপনি ইন্টারনেটে কানেক্টেড থাকবেন, অবশ্যই এর মানে লাখো ডিভাইজের সাথে কানেক্টেড হয়ে গেলেন তাই না। কিন্তু সেখানে তো অবশ্যই ইউনিক অ্যাড্রেস প্রয়োজনীয় হবে, রাইট? ব্যাট ভার্সন ৪ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। আমরা এক নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস ট্র্যান্সলেসন পদ্ধতি ব্যবহার করে এই আইপি ৪ এর ঘাটতি পূরণ করছি।গ্রুপে আইপি অ্যাড্রেস নিয়ে ডেডিকেটেড পোস্ট রয়েছে, যেটা দেখে নেওয়া আবশ্যক! আগেই বলেছি, অনেক টাইপের আইপি অ্যাড্রেস রয়েছে, এবং সকলের রুল নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে আলাদা হয়ে থাকে। প্রাইভেট আইপি, পাবলিক আইপি, স্ট্যাটিক আইপি, এবং ডাইন্যামিক আইপি। প্রাইভেট আইপি হলো আপনার লোকাল নেটওয়ার্কের ব্যবহৃত আইপি অ্যাড্রেস। আগেই বলেছি, আইপি ৪ শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু প্রাইভেট নেটওয়ার্কে আপনি এমন কোন আইপি যদি ব্যবহার করেন, যেটা আলাদা বা অন্য নেটওয়ার্কে থাকা ডিভাইজেরও রয়েছে, আপনার নেটওয়ার্কের কোন কিছু যায় আসবে না। কেনোনা নিজের নেটওয়ার্ক, নিজের রুলস! ১০.০.০.০ থেকে ১০.২৫৫.২৫৫.২৫৫ , ১৭২.১৬.০.০ থেকে ১৭২.৩১.২৫৫.২৫৫ | এবং ১৯২.১৬৮.০.০ থেকে ১৯২.১৬৮.২৫৫.২৫৫ —এই রেঞ্জের আইপি গুলোকে প্রাইভেট আইপি হিসেবে ব্যবহৃত করা হয়। এখন এর মধে আপনার কম্পিউটারের প্রাইভেট আইপি হতে পারে “১৯২.১৬৮.০.১০” এইটা কিন্তু ইন্টারনেট আইপি নয়, এটা আপনার নিজস্ব আইপি। এখন ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড হতে অবশ্যই পাবলিক আইপি প্রয়োজনীয় হবে। পাবলিক আইপি সেই আইপি যেটা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার আপনাকে প্রদান করে। আপনি কম্পিউটার অন করলেন, আর ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড হলেন, এর অর্থ কি? এর অর্থ হচ্ছে আপনি আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের কম্পিউটার কানেক্ট করলেন, এবং তার কাছ থেকে একটি পাবলিক আইপি গ্রহন করলেন। বন্ধু, এখানেই নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস ট্র্যান্সলেশন বা ন্যাট (NAT) কে কাজে লাগানো হয়। আপনার রাউটার শুধু মাত্র পাবলিক আইপি গ্রহন করে এবং আপনার লোকাল বা হোম নেটওয়ার্কের প্রাইভেট আইপি গুলোকে পেছনে লুকিয়ে রাখে। রাউটার সকল কানেক্টেড থাকা ডিভাইজ গুলোকে একটি প্রাইভেট আইপি প্রদান করে এবং যখন কোন কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটের কাছে রিকোয়েস্ট করা হয়, রাউটার সেই রিকোয়েস্ট গ্রহন করে এবং পাবলিক আইপিতে পাঠিয়ে দেয়। পাবলিক আইপি থেকে ফিরে আশা রিকোয়েস্ট রাউটারের কাছে আসে, রাউটার সেটা আপনার কম্পিউটারের প্রাইভেট আইপিতে পাঠিয়ে দেয়, কেনোনা রাউটার ভালো করেই জানে, কোন প্রাইভেট আইপি থেকে রিকোয়েস্টটি এসেছিলো, এবং কোথায় সেটাকে পাঠাতে হবে! বুঝতে পারলেন তো? এভাবেই ন্যাট ব্যবহার করে ইন্টারনেটকে জীবিত করে রাখা হয়েছে।

    (ডাইন্যামিক আইপি) |( স্ট্যাটিক আইপি)


    বেশিরভাগ পাবলিক আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন হতে থাকে। মানে আপনি একবার ইন্টারনেট কানেক্ট করলেন, আপনাকে এক পাবলিক অ্যাড্রেস দেওয়া হলো, কিন্তু ডিস্কানেক্ট করে আবার কানেক্ট করলে আরেক পাবলিক আইপি দেওয়া হয়, বিশেষ করে মোবাইল অপারেটর’রা এই কাজটি বেশি করে থাকে। তো যদি কোন আইপি পরিবর্তন হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে সেটাকে ডাইন্যামিক আইপি বলা হয়। ধরুন, আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন না, তারপরেও তো আপনাকে সেই পাবলিক আইপি দিয়ে রাখার কোন দরকার নেই তাই না? এই আইএসপি রা অন্য কাস্টমারকে সেই আইপি দিয়ে দেয়। এমনতিই আইপি অ্যাড্রেসের ঘাটতি রয়েছে, বুঝতেই তো পাড়ছেন! তবে আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট হোস্ট করতে চান, সেক্ষেত্রে স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস প্রয়োজনীয় হবে। যদি আইপি পরিবর্তন হতেই থাকে, কেউ আপনার কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না। আর ওয়েবসাইট গুলো আপনার কম্পিউটারের মতোই কম্পিউটারে হোস্ট করা থাকে। আপনার হোম নেটওয়ার্ক যেমন পাবলিক আইপির সাথে কানেক্টেড হয়ে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পায়, ঠিক সার্ভার নেটওয়ার্কও পাবলিক আইপির সাথেই কানেক্টেড হতে হয়। বুঝলেন তো, বিষয়টা আসলে সব জায়গাতেই একই। আপনি যদি নিয়মিত আপনার বাড়িতে কুরিয়ার সার্ভিস রিসিভ করতে চান, তাহলে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনশীল ঠিকানা প্রয়োজনীয় হবে। যদি ঠিকানা চেঞ্জ হতেই থাকে, তো বলুন কিভাবে আপনার বাড়ি বারবার খুঁজে পাওয়া যাবে?

    (ডিএনএস)


    ওয়েবসাইট গুলোতে সরাসরি আইপি না ব্যবহার করে ডোমেইন নাম (যেমন- sobuzbanglatv.com) ব্যবহার করা হয়, যেটা মনে রাখা অনেক বেশি সহজ এবং এতে অনেক সুবিধাও রয়েছে। কিন্তু আইপি ছাড়া কোন কম্পিউটার কানেক্ট করা সম্ভব নয়। তাই যখন আপনি ডোমাইন নাম ব্রাউজারে প্রবেশ করান, ব্রাউজার ডিএনএস বা ডোমেইন নেম সার্ভারের জন্য খোঁজ করতে আরম্ভ করে। ডিএনএস এ সেই তথ্য থাকে, ঐ ডোমেইনটি কোন আইপিতে টার্গেট করা রয়েছে, এর পরে জাস্ট ঐ আইপি থেকে সাইট লোড করা হয়। দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আর্টিকেলটি থেকে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন এই ব্যাপারে।ডোমেইন নাম থাকার সুবিধা হচ্ছে একে তো এটি মনে রাখতে সহজ এবং ডিএনএস পরিবর্তন করা যায়। মানে আপনি যদি এক সার্ভার থেকে আরেক সার্ভারে সাইট ট্র্যান্সফার করেন, মানে আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন হয়ে যায় কোন সাইটের সেক্ষেত্রে ডিএনএস পরিবর্তন করে দিলেই হয়, এতে সাইট নাম পরিবর্তন করার দরকার পড়ে না। ইউজার বুঝতেই পারবেনা, সার্ভার পরিবর্তন করা হলো কিনা। কিন্তু আপনার আইএসপি ডিএনএস রেকর্ড আপডেট করতে একটু দেরি করতে পারে, ফলে ডোমেইনের পেছনে আইপি পরিবর্তন হলে সাথে সাথে রেকর্ড থেকে সেই আইপি না পেয়ে আগের আইপি চলে আসে, তাই সাইট ডাউন থাকতে পারে। এজন্যই ওয়্যারবিডি সার্ভার পরিবর্তন করার পরে কিছু সময় আপনারা ঢুকতে পারেন না।

    (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) বা (ল্যান)


    যদিও উপরের আলোচনা থেকে ল্যান সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা হয়ে গিয়েছে, তারপরেও একটু আলোচনা করে নেওয়া প্রয়োজনীয়! আগেই বলেছি, যে কম্পিউটার গুলো ফিজিক্যালি অনেক কাছে থাকে এবং তার বা ওয়্যারলেসের মাধ্যমে একে অপরের সাথে কানেক্টেড থাকে, সেই নেটওয়ার্ককেই ল্যান বলে। ল্যানের মধ্যে কানেকশন ইথেরনেট ক্যাবল, বা ওয়াইফাই ব্যবহার করে দেওয়া যেতে পারে এবং রাউটার, হ্যাব, সুইচ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় হয়। ল্যানে ডিভাইজ গুলো সরাসরি একে অপরের সাথে কানেক্টেড থাকে। যেকোনো ডিভাইজ যেকোনো ডিভাইজের সাথে কানেকশন তৈরি করতে পারে এবং ডাটা সেন্ড বা রিসিভ করতে পারে, যেটাকে peer-to-peer নেটওয়ার্ক বলা হয়, বলতে পারেন যেভাবে টরেন্ট নেটওয়ার্ক কাজ করে। কিন্তু ইন্টারনেটের মতো বড় নেটওয়ার্ক এইভাবে কাজ করে না, সেখানে মধ্য হিসেবে থাকে ওয়েব সার্ভার কম্পিউটার, যেকোনো রিকোয়েস্ট পূর্বে সার্ভারের কাছে যায় তারপরে ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের কাছে ফাইল/ওয়েবপেজ যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ঠিক কতোবড় তৈরি করা সম্ভব? দুইটি ডিভাইজ থেকে শুরু করে হাজারো বা লাখো ডিভাইজ দিয়ে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা সম্ভব, কিন্তু লাখো ডিভাইজ থাকার পরেও এটাকে ইন্টারনেট বা যাবে না, এর জন্য আপনাকে বাকী দুনিয়ার নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে হবে। কিন্তু লাখো ডিভাইজের লোকাল নেটওয়ার্ক’কে আপনার নিজস্ব ইন্টারনেট বলতে পারেন।


    (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য)


    আগেই বলেছি, অনেক টাইপের নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং প্রত্যেকের ভূমিকা এবং গুরুত্ব আলাদা আলাদা, ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এদের মধ্যে অন্যতম, ইন্টারনেটকে ওয়্যান (WAN) (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক) বলতে পারেন। এখানে ওয়্যান বলতে বহু দূরত্বে থাকা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক’কে বুঝানো হয়েছে। ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক গোটা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। নেটওয়ার্ক ডিভাইজ রাউটার, এই ল্যান এবং ওয়্যান কে একসাথে কানেক্টেড করে। মানে আপনি লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে যখন ইন্টারনেটে কানেক্ট হোন, এর মানে আপনি ওয়্যানের সাথে কানেকশন তৈরি করেন। কিন্তু ওয়্যানকেউ সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বলা যাবে না। ধরুন আপনি একটি ব্যাংক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন, প্রত্যেকটি ব্যাংকে একটি করে লোকাল নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং ব্যাংকের শাখা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে, এখন সকল লোকাল নেটওয়ার্ক গুলোকে যদি কানেক্টেড করিয়ে দেন, এক্ষেত্রে টেকনিক্যালি WAN তৈরি হয়ে যাবে। কিন্তু সেটাকে কতক্ষণ পর্যন্ত ইন্টারনেট বলা যাবে না, যতক্ষণ কোন আইএসপি থেকে কানেকশন নিয়ে এই WAN এ কানেক্টেড করবেন। তো বলতে পারেন, আইএসপি যেকোনো ল্যান বা WAN এ ইন্টারনেট কানেকশন প্রদান করে।

    আরো কিছু টাইপের নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেমন:- WLAN – Wireless Local Area NetworkMAN – Metropolitan Area NetworkSAN – Storage Area Network, System Area Network, Server Area Network, or sometimes Small Area NetworkCAN – Campus Area Network, Controller Area Network, or sometimes Cluster Area NetworkPAN – Personal Area Network

    ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক মূলত ওয়াইফাই বা আলাদা ওয়্যারলেস টেকনোলোজির উপর নির্ভরশীল, যে ল্যান ওয়াইফাই দিয়ে কানেক্ট করবেন, তাকে ডাব্লিউ ল্যান বলতে পারেন। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকতে পারে, এটি ল্যান থেকে বড় কিন্তু ওয়্যান থেকে ছোট হয়ে থাকে। ফাইবার চ্যানেল টেকনোলজি ব্যবহার করে ডাটাবেজ বা স্টোরেজ বিশেষ কম্পিউটার গুলো নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকলে একে স্যান বা স্টোরেজ এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়। বড় এবং হাই কনফিগ কম্পিউটার গুলোকে একসাথে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার মাধ্যমে ক্লাস্টার এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়। তো এই ছিল দ্বিতীয় পর্বের নেটওয়ার্কিং নিয়ে সবকিছুর বেসিক পার্ট ১ কোর্স। আজকের কোর্স এখানেই শেষ করছি, কেন না, এমনিতেই এই পোস্টটাকে অনেক লম্বা করে ফেলেছি, হয়তো এর মধ্যের অনেক তথ্য আপনার আগেই জানা ছিল, কিন্তু তারপরেও একবার অনুশীলন করে নেওয়া ভালো। নেটওয়ার্কিং পার্ট ২ তে কিছু প্র্যাকটিক্যাল বিষয় দেখানো হবে। যেমন- নিচের নেটওয়ার্ক কার্ডের আইপি খুঁজে পাওয়া, লোকাল আইপি খুঁজে পাওয়া, ডিএনএস টুলের ব্যবহার এবং বিস্তারিত আর প্র্যাকটিক্যাল আলোচনা, সাথে আমরা দেখবো কিভাবে ডাইন্যামিক আইপি থেকে স্ট্যাটিক আইপি বানানো যায়, ম্যাক অ্যাড্রেস নিয়েও বিস্তারিত থাকছে সামনের অংশে! তো দ্বিতীয় পর্বের নেটওয়ার্কিং পার্ট ২ কোর্সের অপেক্ষায় থাকুন, সেখানে অবশ্যই মজার কিছু শিখতে পাবেন বলে আশা রাখছি! এই পর্বের কোর্স কেমন লাগলো, আমাকে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই নিচে উল্লেখ্য করবেন!

    Credit Sobuz biplop Sobuz 


     

    ethical hacking,hacking,ethical hacking course,ethical hacker,ethical hacking tutorials for beginners,ethical hacking hindi,what is ethical hacking,ethical hacking in hindi,career in ethical hacking,learn hacking,ethical hacking tutorials,ethical hacking course in hindi,ethical hacking free,curso ethical hacking,ethical hacking steps,learn ethical hacking,ethical hacking tools,ethical hacking basics,hacking,ethical hacking,bangla hacking tutorial,bangla hacking,hacking bangla video,ethical hacking bangla,bangla,bangla tutorial,bangla hacking book,bangla ethical hacking,cmd hacking bangla,hacking bangla book,hacking tools bangla,hacking in bangla;,hacking book in bangla,hacking book,website hacking bangla,besic hacking in bangla,facebook hacking bangla,hacking tutorial bangla,facebook id hacking bangla,facebook,facebook hack,hacking,how to hack facebook,facebook hacking,hack facebook,hack facebook account,hacking facebook account,facebook hacker,how to hack facebook account,how to hack facebook accounts,facebook hack 2019,hacking facebook passwords without software,facebook hacking 2017,facebook account hack,udemy facebook hacking,facebook hacking tools,facebook password hack,prevent facebook hacking,ফেসবুক হ্যাকিং,ফেসবুক হ্যাক,হ্যাকিং,হ্যাকিং কি?,wifi হ্যাক করুন,ফেসবুক হ‍্যাকিং,তাবিব,আইডি হ্যাক,ফোন হ্যাকিং ট্রিকস,সেরা ৫ টি হ্যাকার,হ্যাকার সম্পর্কে,ফেইসবুক হ্যাক,



    MR Laboratory Public blog

    আমাদের এই ব্লগে আপনি ও  লিখতে পারবেন । এর জন্য আপনি আপনার লিখা আমাদেরকে ইমেইল করতে পারেন । অথবা আমাদের একজন সদস্য হয়ে ও পোস্ট করতে পারবেন । আমাদের ওয়েবসাইট এর সদস্য হতে চাইলে ভিসিট করুন । আপ্বনার লিখা অবস্যয় শিক্ষনীয় হতে হবে । আমাদের ইমেইল ঠিকানা  support@mrlaboratory.com

    Copyright © MR Laboratory
    Newer post Older post

    RELATED ARTICLES