-->

সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।

    সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।
    প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে আসুন বেশি করে গাছ লাগায়।
    আসুন বেশি করে গাছ লাগায়,পরিবেশ বাঁচায়।
    প্রতি বছরের ন্যায় মানবতায় পটিয়া পরিবার এইবারও
    আয়োজন করতে যাচ্ছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।পরিবেশে
    বৃক্ষরোপণের সচেতনা বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে মানবতায় পটিয়া পরিবার।
    তারিখঃ ৩১-০৮-২০১৯ ইংরেজি
    স্থানঃ বিনিনিহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
    (ছিলাশাহ মার্কেট, শান্তিরহাট,পটিয়া)
    সময়ঃ সকাল ১০ঃ৩০ মিনিট
    আয়োজনেঃ মানবতায় পটিয়া


    যদি তোমার হাতে ১মিনিট ও অবসর থাকে তাইলে তুমি একটা গাছ রোপন করো।
    পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তুলবার দায়িত্ব প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কর্তব্য।
    একজন মানবতা প্রেমি হিসেবে
    একজন সু নাগরিক হিসেবে
    একজন সৎ দক্ষ দেশপ্রেমিক হিসেবে


    আমাদের এই প্রয়াস।
    সুন্দর হোক, সফল হোক
    স্বার্থক হোক
    "মানবতায় পটিয়া "র এই কর্মসূচি


    এ ধরণিতে নিঃস্বার্থ, প্রকৃত ও উপকারী বন্ধু হলো বৃক্ষ। বৃক্ষের ছায়াতলেই গড়ে উঠেছিল মানবসভ্যতা। তাই বৃক্ষ ছাড়া মানুষের অস্বিত্ব কল্পনা করা যায় না। এককথায় বৃক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব রোধ ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাসহ নৈসর্গিক শোভাবর্ধনে বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবেশের দূষণ রোধ ও বৈশ্বিক উষ্ণতা কমাতে গাছ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখে থাকে। অথচ নগরায়ণ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন আর যন্ত্র-প্রযুক্তির মোহে অযাচিতভাবে বৃক্ষনিধন করা হচ্ছে। উজাড় হচ্ছে বন। ফলে দেখা দিচ্ছে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, বাড়ছে উষ্ণায়ন আর মানবসভ্যতা পড়ছে হুমকির মুখে। গত বছর বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ বীর শহীদের অমর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ৩০ লাখ গাছের চারা রোপণের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ছিল সত্যিই প্রশংসনীয় ও দৃষ্টান্তস্বরূপ। দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের মতো সামাজিক আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে সবার মাঝে। শুধু জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান বা বৃক্ষমেলার সময় নয়, নিজ নিজ উদ্যোগে প্রত্যেক সচেতন মানুষকে সময়-সুযোগ বুঝে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে। প্রত্যেক ব্যক্তিকে হতে হবে বৃক্ষপ্রেমী! বিশেষ বিশেষ দিনগুলোকে উপলক্ষ করে বৃক্ষরোপণ করলে সেটা ভালো কাজ দিবে। যেমন সেটা হতে পারে প্রত্যেক ব্যক্তির নিজ নিজ জন্মদিনে, সন্তানের জন্মদিনে, সন্তানের প্রথম স্কুলে যাওয়ার দিন, বিবাহ বার্ষিকীতে, বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামে, পরিবারের প্রত্যেক সদস্যদের নামে, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনে বা অন্য কোনো বিশেষ কারণে। পরিবেশের দূষণ ও বিপর্যয়সহ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর একটি। উষ্ণায়ন বৃদ্ধির ফলে জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবে ভুগছে দেশ। ফলে নানাবিধ ক্ষতির সঙ্গে বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগও। বাংলাদেশকে ষড়ঋতুর দেশ বলা হলেও তিনটি ঋতুর বেশি অন্য কোনো ঋতু এখন আর দৃশ্যমান ও অনুভূত হয় না! আবার এখন জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবে চিরচেনা গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত ঋতুর বিশৃঙ্খল আচরণ প্রকৃতিকে এলোমেলো করে দিচ্ছে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে ভালো উপায় হচ্ছে বেশি বেশি করে গাছ লাগানো। যে কোনো উন্নয়ন কর্মকান্ডে পরিবেশকে গুরুত্ব দেয়া উচিত সবার আগে। কেননা, প্রাকৃতিক পরিবেশকে উপেক্ষা করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়! সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের কয়েক হাজার একর বনভূমি ইতোমধ্যে উজাড় হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে জমি অধিগ্রহণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিদু্যকেন্দ্র নির্মাণ ও অপরিকল্পিত উন্নয়নে বনভূমি কমে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আরও পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা পাবে। বাংলাদেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু প্রয়োজনীয় বনভূমি বাংলাদেশে নেই! জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বনবিষয়ক এক প্রতিবেদন মতে, বাংলাদেশের মোট ভূখন্ডের প্রায় সাড়ে ১৩ শতাংশ বনভূমি রয়েছে। যদিও সরকারি হিসেবে বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৭ শতাংশ বলা হয়ে থাকে! বিভিন্ন জরিপে দেশে প্রাকৃতিক বনভূমির পরিমাণ কমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও বনের বাইরে অর্থাৎ সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে। মানুষের সচেতনতা, কমিউনিটি উদ্যোগ এবং সরকারের সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির কারণে লোকালয়ে গাছের সংখ্যা বাড়ছে। এমন সব প্রশংসনীয় ও সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা' (এসডিজি) অর্জন সহজ হবে। 'এসডিজি'তে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ ২২ শতাংশের বেশি নিয়ে যেতে হবে। 

    Copyright © MR Laboratory
    Newer post Older post

    RELATED ARTICLES